May 09, 2016

Silent Killings of Bloggers in Bangladesh

To many, silence acts as consent. For media outlets, not reflecting certain news items gives the same consent. As a result, it becomes imperative for me to share this because it highlights a hidden story. But at the same time, it was in my belief that to share without just a small "quote" or two words isn't saying anything about it. These reflections are based on my experiences, and experiences, according to Einstein, are knowledge for me.
Bangladesh has been going through a series of grisly murders, which although are dated back to the early 2000s, have exponentially risen in the past few years. The targets of these murders are secular bloggers, activists, publishers, religious and political figures. Yet, other than only a few, many are ignorant about it. On the other hand, maltreatment of Rohingyas in Bangladesh are more visible in the media by people . It is people's failure to understand Rousseau's comment on experience: “The first sentiment of man was that of his existence.” That is why understand before saying something, and think twice about how your experiences would shape your comprehension on this news piece.
For some information about the blogger murders: https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2016/04/29/these-bangladeshi-bloggers-were-murdered-by-islamist-extremists-here-are-some-of-their-writings/
http://bdnews24.com/bangladesh/2016/04/26/chronology-of-killings-by-machete-gangs-in-bangladesh

October 07, 2014

মহাভারতের রাজনীতির দুইটি ধারা

কুরু বংশের ১০০ সন্তান, পিতামহ ভীষ্ম, গুরু দ্রোনা, অভিমানী ও অবহেলিত দাম্ভিক কর্ণ, লোভী অশ্বর্থমা এই নিয়ে কুরুকুল যতটুকু শক্তিশালী ছিলো তাঁর থেকে কোন অংশে শক্তির বিচারে কম ছিলেন না পঞ্চ পান্ডব। দেবতাদের থেকে প্রান্ত কুন্তি মাতার ৫ সন্তান ছিলেন জন্মগত ভাবেই গুণী। কিন্তু বরাবরই পঞ্চ পান্ডবদের কুরু কূটনৈতিক চালে পরাজিত হতে হয়েছিলো। মামা কুচক্রী শকুনি, দুর্যোধন ও ধীতরাষ্ট্রের চক্রান্তে বার বার পরাস্ত হতে হয়েছিলো পাণ্ডবদের। মুলত ব্যবধান রচনা করে দিয়েছিলো কুচক্রী শকুনি। পাণ্ডবরা ধার্মিক ছিলেন বলে তাঁরা অন্যের দুর্বলতাকে বিবেচনা করে আঘাত করতেন না কিন্তু শকুনি, দুর্যোধন,অশ্বর্থমা এরা সব সময় ধর্মীয় অনুশাসনে থাকা পাণ্ডবদের পরাস্ত ও আঘাত করতো তাঁদের ধর্মীয় ভাবের বলয়কে পুঁজি করে।

ধার্মিক হয়ে ও পিতামহ ভীষ্ম ও মহামন্ত্রি বিদুর কুরুদের ঐ কুচক্রী রাজনীতিকে ভেদ করে ধার্মিক পাণ্ডবদেরকে হস্তিনাপুড়ে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি বরং তাঁরা শকুনির কুচক্রের কাছে অসহায় হয়েই ছিলেন।
 
মহাভারতের রাজনীতির দুইটি ধারা। একটা ধারায় ভালো অন্য ধারায় মন্দ। পরাক্রমের দিক থেকে শক্তিশালী হয়ে ও পাণ্ডবরা বার বার পরাস্থ হয়েছিলো কিন্তু যখন থেকে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ পাণ্ডবদের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন তখন থেকে কুচক্রী শকুনির এক একটি চাল ব্যর্থ হতে থাকে। ভগবান শ্রী কৃষ্ণ নিজে অস্ত্র ধারণ না করে শুধু মাত্র রাজনৈতিক পরামর্শ দিয়ে পাণ্ডবদের প্ররাক্রমকে ব্যবহার করে কুরু বংশ তথা অন্যায়কে ধংস করে ন্যায় তথা পাণ্ডবদের হস্তিনাপুরে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই বৃহৎ অর্জনে পঞ্চপান্ডবরা অক্ষত ছিলেন, কাউকে প্রাণ দিতে হয়নি।

পিতামহ ভীষ্ম নিজে ছিলেন ধার্মিক। তিনি নিজের চিন্তা কখনো করেননি। তিনি সব সময় হস্তিনাপুরের কথাই চিন্তা করেছিলেন। এই চিন্তায় তিনি ব্যক্তিগত সুখ সাচ্ছন্দকে ত্যাগ করেছিলেন। ধর্মের হাতে তিনি আবদ্ধ ছিলেন এবং রাজ মাতা সত্যবতী ও ধীতরাষ্ট্র ভীষ্মকে তাঁদের প্রয়োজনে অনেক বার অন্যায় ভাবে ব্যবহার করেছিলেন। অন্ধ বলে ধীতরাষ্ট্র অনেক অনেক অন্যায় সুবিধা নিয়েছিলেন পিতামহের ও রাজমাতার স্নেহের অন্যায় সুযোগকে পুঁজি করে। এখানে ও ধিতরাষ্ট্র রাজনৈতিক ভাবে সফল এবং পিতামহ ও রাজমাতা সত্যাবতী রাজনৈতিক দিক থেকে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
 
হস্থিনাপুরের রাজা শান্তনু ও গঙ্গা পুত্র ছিলেন পিতামহ ভীষ্ম। ভগবান পরশুরামের শিষ্য ছিলেন তিনি। পিতার যোগ্য উত্তরাধিকারী হবেন বলে মাতা গঙ্গা তাঁকে ভগবান পরশুরামের শিক্ষায় পরাক্রমশালী করে গড়ে তুলেন। জন্মগত ও গুরুর বিদ্যা অর্জন করে তিনি এতো বেশি পরাক্রমশালী ও ধার্মিক ছিলেন যে, অনেক বিষয়ে তিনি দেবতাদের সমমানের শক্তি ধারণ করতেন। তিনি একজন শ্রেষ্ঠ বীর ও ধার্মিক কিন্তু মহাভারত বা হস্তিনাপুরের রাজনীতিতে তিনি রাজনৈতিক ভাবে চরম ব্যর্থ ছিলেন। রাজ্য নীতি থেকে তিনি মানবীয় আবেগকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন।

রাজা শান্তনু ও মাতা গঙ্গার সন্তান ভীষ্ম মহা পরাক্রমশালী হয়ে যুবরাজ পদের জন্য তৈরি হয়েছিলেন। রাজা শান্তনুর ২য় স্ত্রী মৎস্য কন্যা সত্যাবতি শর্ত প্রদান করেন যে, রাজা শান্তনুকে হয় রাজ্য ছাড়তে হবে বা সত্যাবতির ছেলেকে যুবরাজ পদে অভিষিক্ত করতে হবে যদি তাঁর সাথে সংসার করতে চান তবে!! কিন্তু ন্যায় পরায়ণ রাজা শান্তনু কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেননি এই অন্যায় দাবী। এখানে উল্লেখ করতে হচ্ছে যে সত্যবতীর ছেলে বিচিত্রবীর্য যুবরাজ পদের জন্য অযোগ্য ছিলেন। রাজা শান্তনু ভিস্মকেই যুবরাজ পদে অধিষ্ঠিত করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। পুত্র ভীষ্ম পিতার দুঃখ বুঝতে পেরে পিতার সুখ ফিরিয়ে আনতে মৎস্য কণ্যার কাছে গিয়ে প্রতিজ্ঞা করেন তিনি বিয়ে করবেন না, কোনদিন রাজা হবেন না এবং আমৃত্যু হস্তিনাপুরের সিংহাসনকে সুরক্ষিত রাখবেন। বিনিময়ে পিতা তাঁকে ইচ্ছা মৃত্যুর বড় দান করেন।

“ভীষ্মের এই প্রতিজ্ঞা মহাভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষণে সব থেকে বড় ভুল ছিলো”

পিতামহ ভীষ্ম রাজণৈতিক ভাবে সফল হলে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে করতে হতো না এবং এতো এতো প্রাণ অকালে ঝরে পড়তোনা। মানুষ লোভে ভুল করে বা মানুষ স্বার্থপর হয়ে ভুল করে কিন্তু পিতামহ এক অনন্য দৃষ্টান্ত। নিজের স্বার্থে বা নিজের জীবনের কথা তিনি কখনো ভাবেননি, সমস্ত সুখ সাচ্ছন্দ তিনি ত্যাগ করেছিলেন হস্তিনাপুরের জন্য। ধর্ম ও হস্তিনাপুরের মঙ্গল এই চিন্তাই তিনি নিমগ্ন ছিলেন।

এক জন রাজা বা যুবরাজের ব্যক্তি সত্ত্বা থেকেও রাজ্যের প্রজাদের মঙ্গলের জন্য ভুমিকাই বড়। ভগবান রাম স্ত্রী না প্রজা এই দৈত অবস্থানে নিজের ব্যক্তি সার্থকে ত্যাগ করেছিলেন নির্দয় ভাবে। প্রাণের থেকে প্রিয় স্ত্রীকে অগ্নি পরীক্ষায় দিয়েছিলেন প্রজা প্রতিপালনের স্বার্থে। প্রকৃত পক্ষে রাজার ব্যক্তি স্বার্থ থেকে প্রজা ও রাজ্যের স্বার্থই বড়।
এই ধারাবাহিক পোষ্ট এর মুল বিষয় মহাভারতের রাজনীতি। এই রাজনীতিতে তিন জনের তিন ধরনের ভুমিকা ছিলো। এই তিন জন হলেন পিতামহ ভীষ্ম, কুচক্রী শকুনি ও ভগবান শ্রী কৃষ্ণ। শুধু মাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় কুচক্রী শকুনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন ভগবান শ্রী কৃষ্ণের হস্তক্ষেপের পূর্ব পর্যন্ত। পিতামহ ভীষ্ম বার বার রাজনৈতিক ভাবে পরাস্ত হয়েছিলেন কুচক্রী শকুনির কাছে এর কারণ হলো পিতামহ সব পরিস্থিতিকে শুধু মাত্র ধর্ম ও পূর্বে ধর্মে উল্লেখিত নীতি দিয়েই বিচার করতেন। পিতামহ নিজের প্রতিজ্ঞার কারণে রাজনৈতিক ভাবে দুর্বল অবস্থানে ছিলেন। কুচক্রী শকুনি সব সময় প্রতিপক্ষের শক্তিকে পাশ কাটিয়ে দুর্বলতাকে খুঁজে বের করতো এবং নিজের পরিকল্পনা গুলিকে সফল ভাবে নিজের অনুকুলে নিয়ে আস্তো। প্রয়োজনে অসম্ভব অমায়িক ব্যবহার করে পরিস্থিতিকে নিজের অনুকুলে নিতে শকুনিকে কখনো বেগ পেতে হয়নি। যেখানে রেগে যাওয়ার কথা সেখানে ও তিনি অমায়িক ও ধিরস্থির।

অযোগ্য, বেভিচারী, অহংকারী দুর্যোধনকে যুবরাজ পদে অভিষিক্ত করতে শকুনি বুদ্ধিমতী রাজমাতা সত্যবতী, পিতামহ ভীষ্ম, বিচক্ষণ মহামন্ত্রি বিদুরকে অকার্যকর করতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি। শুধু মাত্র কুরু ও পাণ্ডব যুবরাজদের গুরু গৃহে পাঠানোর পূর্বে পিতামহ ভীষ্ম শকুনিকে গান্ধারের রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে হস্তিনাপুর হতে বিতাড়িত করেছিলেন। এখানেই শকুনি রাজনৈতিক ভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন পিতামহের কাছে।

February 13, 2014

Value of Eid or Education

In a city which is called the "capital of the world", it should be thought that most major religions should be represented, and not just a single one. According to PEW Research (2007), there are .6% Muslims and .4% Hindus. In New York City, there are 424 Hindus for every 100,000 people. With such a close proximity in the population overall, NYC Mayor Bill de Blasio couldn't confirm for Diwali, the Hindu festival of lights.

If these two holidays, and the Chinese New Year is confirmed in NYC, it will be the first city in the US to have religious holidays that strays away from other kinds of holidays. Rosh Hashanah being the other holiday that reflects religious affiliation has also been called the first holiday for kindergarteners to transition into school life. The other holidays are seasonal and even though religious holidays fall in them, it doesn't confine itself to just religion.

Now the two Eids, the Eid al-Fitr and Eid al-Adha does not follow any strict rule and depends on seeing the moon. This poses a very peculiar problem for the administration if they are to implement it. Another problem is that this goes against the Establishment Clause of the First Amendment.

Why are the Chinese pushing for the Chinese New Year to become a holiday? Well, that is because according to Capital New York, there are 11.4% Chinese (as of 2013), which is significantly over .6% Muslims.

Why else would Muslims want to create a school holiday? Wall Street Journal published an article in 2012 which showed why Hindus in USA are thriving. Hindus are higher up in the socioeconomic ladder and give a higher value of education. This is because 58% of American Hindus have a post-graduate degree, and among other Americans, it is at 12%. Also, 51% of the Hindus in US make over $100,000, which is above other religious sects.

These numbers do not surprise the fact that the number of Hindus retained from generation to generation is higher than any other. Maybe, it is the socioeconomic status that these Hindus value, or maybe it is the way the world has learned about Hindu culture and adapted them to their lives (yoga). Or maybe it is because other religions fail to see that knowledge and education is the light for the future generation, and Hindus understanding this, wants to pass the lantern of knowledge to the next generation.

June 29, 2013

"Black Law" Brings a New Curse for the Hindus

The proposed Debottor Sampatti Ayin, also called the Vested Property Act of 2013, has aroused much of Hindu population in Bangladesh. Many Hindu activist organizations are calling it the "Black Law".

They criticized various parts of the act, including clause 2 of the act that states that the religious properties will be held not by the religious organizations for the Hindus but by the local government. This will also mean that the priests and sages will be paid employees of the government and not be selfless devotees of the temples, which most Hindus believe is the way to salvation.

Clause 41 of the act also forces the temples to pay to the local government, which no other religious institution has to do. Clause 53 also states that government could take over any of the property whenever they wish to do so.

Clause 8.2 states that the religious institutions will be owned by chairman of the district government, the district commissioner, the superintendent of police and the last 8 will be from the political parties.

This act, if implemented, will not affect any Muslim mosque, Buddhist pagodas or Christian church.

Hindu activists also claim that this is another way to demolish the Hindus of Bangladesh after 180 temples, 277 houses, 58 businesses were burned down or vandalized just in 2013.

Sources: http://www.newagebd.com/detail.php?date=2013-06-29&nid=54904
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=135633f8c09c57c7c8b8350aa3761af4&nttl=28062013206932

June 04, 2013

11-year old girl raped for 55 days

Her A+ in the intermediate assessment test brought her fame from even the local parliament member in Tongi, Bangladesh. She dreamed of the studies she would complete past 5th grade and continue on to her higher studies. But, everything was clouded for her on April 6th when she was kidnapped on her way home from school.

This 11-year old innocent Hindu girl was forcefully converted to Islam, which she had no idea of, and she was then married off to a man named Manik. For 55 days she was raped by Manik and other members of the group.

She was put to marriage that she did not agree to legally by a mollah, a Muslim priest. Being so young and naive, she didn't even understand what they were making her do when she was forcefully married. She was repeatedly raped from the day after she was kidnapped and the other kidnappers also tried to rape her.

At the age of 11, she cries of her life, which she cannot get back and change. As for Bangladesh, this incident has brought to light the conditions that Bangladeshi minorities are living through every day, which is primarily targeted towards the young Hindu girls.

Source: ধর্মান্তর ও ধর্ষণের শিকার মেধাবী স্কুলছাত্রী :: খবর :: কালের কণ্ঠ